Pages

Thursday, April 25, 2013

PERIWINKLES



She walked through a carpet of periwinkles, her arms reaching out as she touched the trees, caressing the gnarled bark. Her bare feet glided across the floor while the leaves around her spook in gentle whispers and kept her secret. Her dark curls fell upon her shoulders with a light bounce, the folds of her dress swaying around her. The wood she walked through was heavy with the dawn air, misty dew cooling her skin, tendrils swirling in her wake.
The soft ears of a rabbit poked out from under a bush as she observed the explorer. Her wet nose twitched as she curiously stepped forward. Her offspring bounced happily into the glade but the woman continued obliviously.
Her mind dwelt upon the events leading up to this moment, this freedom she had given herself. “I rather you not,” said her husband warily the night before.
“I’m fine in city, why not better in nature?” She had tried to reason.
“But alone?”
“It’s something I have to do.”
The young woman smiled as she began to hear the trickle of the stream ahead. She had almost made it. She stopped for a moment to bend down and feel for a periwinkle she could pick. Its soft stem snapped in her tight grasp. She closed her eyes as she breathed in its freshness and aroma. Standing again, she placed the flower behind her ear. She paused to remember.

A small girl ran through the wood. Her heart beat quickly from the thrill of the chase. Her dark brown locks ran free behind her. She turned to glimpse her pursuer.

The woman reminiscently looked over her shoulder. She saw nothing.

The small girl laughed as she moved through the trees. The boy behind her was catching up. “Give me a chance!” He called out.

“I’m just faster than you,” The woman said to herself quietly. She let a sight sign escape her calm face. Carefully and somewhat meditatively, she slowed her footfall to such a pace she might never reach her destination. The terrain under her feet changed from grass to wispy sprouts scattered between the stony, soiled bank of the stream. She reached out to lean against the tree as she took in the moment and the place.

The two children laughed as they jumped into the stream. The little girl’s dress rose around her waist as she wadded further in. The boy’s blond head submerged for a moment, only to burst out a whale, splashes falling all around. She shielded herself with her arms as the stray spatter touched her. Her companion gave her a cheeky grain as he shook his head from side to side sprinkling the stream. In a pretend huff, the girl took up arms with handfuls of liquid ammunition.

The woman stepped down along the jagged bank towards the hum of moving water. She smelt its summer freshness and could feel the warmth of the waking sun’s rays reach out to her through the moving branches above. She mumbled in surprise as the stream that had once hugged her around the waist now barely passed her knees. The hem of her dress still rose around her.

Completely soaked, the two children were calmer now. The yellow dress clung to the girl’s petite figure while the boy’s shirt stuck to his torso. They sat on a large rock distinguishable for its two natural dents for comfortable sitting. Like King and Queen, they sat beside each other, looking their little world, their kingdom.

The woman stroked the buoyant waves with her fingers before running her hand through her hair. The traces of water in her dark hair glittered in the light as she looked up into the trees. The familiar sight did not touch her.

Where are you going?” he asked.
Watch me,” she said as she stepped back onto the bank. Using a branch, she pulled herself further up the embankment. “There’s a dip in the stream where it becomes deeper,” she pointed to her friend.
He nodded in understanding as he wadded further along the stream.

The woman traced the king’s dent as she sat in her Queen’s throne. The cold stone sent chills up her arms. Her palms softened with her sweat as she looked to where she had once pointed.

The little girl’s bare feet gripped the branch she stood on precariously. “Are you ready?” she called out. Her companion waved in answer. She lent back a moment to change her position but her hand missed the brunch above her. Unsteadily she almost fell backwards but lunged at the trunk of the tree in time. In doing so her moist feet slipped off the thin branch and she fell into the stream’s little bay, her head falling before her feet.

The woman gasped as the water hit her again in her mind. Silent tears streaked her cheeks as her eyes opened. Her unseeing eyes looked on.

                                                                                                                          The End........

Saturday, March 23, 2013

আমার কথা

আমার কথা মনে করার সময় তোমার কই
ডাক দেবেনা জেনেও তবু কান টা পেতে রই
অবুঝ এই মন বোঝে কি আর যতোই তারে কই
পর হয়েছি আমি তোমার আপন তো আর নই

এখন তোমার আকাশ জুড়ে গানের পাখি রোজই ওড়ে
বাক হারানো পাখি আমি ডানা ভেঙে আছি পড়ে
এখন আমি কষ্ট বুঝি যন্ত্রণারেও সই
পর হয়েছি আমি তোমার আপন তো আর নই

আজও রোজই সূর্য ওঠে সূর্যমুখী আজও ফোটে
অধরা ঐ চাঁদের পিঠে পাগল চকোর আজও ছোটে
আমি না হয় সূর্যমুখী চকোর হয়েই রই
পর হয়েছি আমি তোমার আপন তো আর নই

Saturday, December 01, 2012

অন্দরে ক্ষরণ

অন্দরে ক্ষরণ

এক....
২২০ নম্বর কেবিন। চারপাশ নিঝুম। শুধু এক রুমে সজাগ কয়েকজোড়া চোখ। পিন পতন নীরবতা। কোথাও কেউ নেই। রাতটা আজ বড় নির্জন। চোখের পলক পড়েনা কারও। সবাই দেখছে একটা নিথর নীরব মুখ। ঘুমিয়ে আছে মনে হয়। কিন্তু না, ঘুমিয়ে থাকা মুখটি ঘুমিয়ে নেই। চলে যাচ্ছে অনন্ত গভীরে।
এত তাড়াতাড়ি কেউ অনন্তের পথে যাত্রা করে। কী জানি, জানেনা ওরা । শুধু জানে পাখির মতো চঞ্চল মেয়েটি আর কিছুক্ষন পর আরও অনেকের বুকে গভীর কষ্টের বেদনা জাগিয়ে চলে যাবে অজানার দেশে।
অথচ গতকালও এমন সময় সে জেগেছিল। কী যে হলো!

অজান্তে একঝাক উৎকণ্ঠিত মানুষের ভীড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয় সূর্য । হাসপাতালের নির্জন বারান্দায়। চোখের কোনে কী যেন পড়েছে। কটকট করছে। বোঝেনি সে। এতটুকুও বোঝেনি। মৌমিতাকে সে অবহেলা করে দূরে ঠেলে না রাখলেও পারত। মাথাটা ঝিমঝিম করে। অজানা আশংকায় সেই সকাল থেকে যে বুকটায় ঢিপঢিপ শুরু হয়েছে তা আর কমেনি। বরং যত সময় গেছে তত বেড়েছে।

কাল গভীর রাতে আনন্দ তাকে মুঠোফোনে জানিয়েছিল মৌমিতার হঠাৎ অসুস্থতার কথা। অবস্থা খারাপ। আরও অনেক কথাই বলেছিল সে, মাথায় কিছুই ঢোকেনি সূর্যের। শুধু তার মনে পড়েছিল, মৌমিতা তার ওপর অভিমান করে মুঠোফোন বন্ধ রেখেছিল, হঠাৎ সব দুষ্টুমিভরা এসএমএস বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আর সূর্যও যোগাযোগ করেনি সময়াভাবে। ক'দিন থেকে কাজের চাপও ছিল ওর অফিসে। সবে ডিসেম্বর মাসটা এসেছে। কাজের চাপ বেড়েছে। ইয়ার এন্ডিং চলছে। কড়া নির্দেশ বসের। কাজ কর মনোযোগ দিয়ে। সূর্য সে-মতোই করছিল সব। কিন্তু রাতে যখন জানল, তারপর আর বসতেই পারেনি। সারারাত সিগারেট পুড়িয়ে নির্ঘুম জেগে ভোরেই বেরিয়ে পড়েছে একটা ছোট্ট ব্যাগ নিয়ে। ফার্স্ট ট্রিপ বগুড়াগামী গাড়িটায় এসেছে। ঝিমুনি এলেও তা বারবার থমকে গেছে কোন দূর থেকে ভেসে আসা মৌমিতার হাসির গমকে কিংবা কোনও কথা অবিরাম বলে যাওয়ার স্মৃতিভারে।

সূর্যের সঙ্গে মৌমিতার মুঠোফোনেই কথা হতো। প্রথমদিকে প্রায় প্রতিদিন। চারবার, পাঁচবার। পরে দুজনের ব্যাস্ততার কারণে তা কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। সূর্য সুযোগ পেলেই টেক্সট মেসেজ পাটাত। অভিমানি মেয়ে মৌমিতার পাল্টা জবাব আসত কবিতার ছন্দে, কবিতায় মাখামাখি অনিন্দ্য সময়। সূর্য দূরে জেগে থাকা দুএকজন মানুষের দিকে উদ্দেশ্যহীন তাকিয়ে ভাবছিল এসব। হঠাৎ কাধে কারও আলতো চাপ পড়ে। কিছুটা নেশায় পাওয়া সূর্য সম্বিৎ ফিরে পায় গম্ভীর কণ্ঠস্বরে।

-ভেতরে আয়। একাকী কী ভাবছিস। জানিসরে মৌমিতার অবস্থা খুউব খারাপ। এইমাত্র ডাক্তার এসেছিল। বলছিল স্ক্যান করা হয়েছে। রিপোর্ট দেখায়। বলে, ওর পুরো মাথায় ব্লাড ছড়িয়ে পড়েছে। পাল্ স চলছে খুব ধীরে। অবস্থা বুঝতে সময় লাগবে।

একটা গভীর দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে সূর্যের। বুঝতে পারেনা কী করবে। শুধু ভাবে কিছুদিন আগে দুস্টুমি করে লেখা চিঠিটা যদি না পাঠাত। হয়তো মৌমিতার অনেক আশা করে বসে থাকাটা ব্যর্থ হতো না। অভিমানে ঝরে পড়ত না কান্নারা। আসলে সূর্যের মাঝেমধ্যে কী যে হয়, শুধু শুধু মেয়েটাকে রক্তাক্ত করল। এমন্তা হবে তা কী ও কখনও ভাবতে পেরে ছিল। সূর্য আবার ডুবে যায় স্মৃতির মগ্নতায়। প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব একটা ঘর থাকে। মনের ঘর। কেউ কেউ সে ঘরে উকি দেয়। দেখে নেয়। কেউ কেউ শুধু উকি দিয়ে ক্ষান্ত হয় না। ঘরের আগল খুলে দেয়। রুদ্ধ বাতাসকে মুক্তি দেয়। তেমনি সূর্যের জীবনে মৌমিতা এসেছিল ফাগুন ঝরা রাতে। হঠাৎ মুঠোফোনের কলানে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত সূর্যের কাছে মৌমিতা এক মহার্ঘ্য সময়ের নাম। সূর্য মনে মনে ভাবে, কোন এক মন্ত্রবলে অজস্র জনতার ভিরে নিমেষে মৌমিতাকে কথা বলে কাছের একজন ভেবে মনের তুলিতে রঙ ছড়ায়। মৌমিতাকে লেখে প্রথম কবিতা-

কিছু বিমূর্ত সময়ের নান্দিকতা, নগ্ন ঠোঁটের পাঁজর ভেঙে
তোমায় গরিয়ে দেব এক দীর্ঘ সড়ক ----
                                           ভালোলাগার ।

এভাবেই চলে লেখা। পাল্টা লেখা। মৌমিতা ফিরতি মেসেজ লেখে -

তোমার কাছে গেলে বদলে যায় পতভূমি
চিরায়ত সংস্কার দানাবেঁধে হৃদয়ের জানালা চুমি।
তখন সাগরের গহ্বরে চলে বন্দোবস্ত বিলীন হবার
নিঃসঙ্গ ভাসমান তরী ভাসে গাঙে, হয় জয়জয়কার।

-এভাবেই চলছিল।

আবার ফিরে আসে আনন্দ। হাতে একটা কী যেন। আধো অন্ধকারে দেখা যায় না। আনন্দ কিছু না বলে একটা বাদামি খাম এগিয়ে দেয়।
-কী আছে এতে ?
-চিঠি। ...কি...ছু...চি...ঠি...। কাঁপা গলায় বলে আনন্দ। মৌমিতার লেখা। তোকে নিয়ে লেখা।
-আমাকে নিয়ে! কৈ কখনও তো বলেনি।
-কি জানি, কেন বলেনি জানি না। অসুস্থ হবার পর একবার জেগে উঠে আমাকে বাসায় পাঠিয়েছিল। এটা আনতে।
-কখন ?
-বিকালে। তুই যখন ওর দিকে তাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিলি, তখন।
-আমাকে কেন তবে দিল না ?
-তুই যদি কষ্ট পাস। ও তো তোর চোখ দুটোয় বর্ষা দেখতে পেয়েছিল। তাই আমাকে ইশারায় দেখিয়েছিল। বোঝাল এটা তোর জন্য। আবার নিস্তব্ধতা চারপাশে।
-আনন্দ চলে গেলে হাসপাতালের নির্জন করিডরের শেষ সীমানায় দাড়িয়ে মৃদু আলোয় খামটা ধীরে কাঁপা হাতে খোলে। সফেদ কাগজে কালোকালির গোটা গোটা অক্ষর জেগে ওঠে ডুবোচরের মতো।
-সম্মোহনী শক্তিতে ভর করে একে একে পড়তে থাকে সম্বোধনহীন চিঠিগুলি।


দুই...

আজ আমার সত্যিই দুর্দিন। নিজেকে সামলাতে পারছি না। ভেবেছি এত্ত অবহেলা। সপ্তাহখানেক অন্তত আড়ি। নো যোগাযোগ। কেনো, আপনি লিখলেন 'তোমায় দেখতে ইচ্ছা করছে, কিন্তু ভয় পাচ্ছি খুব। দূর থেকে তোমাকে ভাবি, সেটাই ভালো। দেখা হলে এই আবেগ মরে যাবে! তাই দেখা না হলে ভালো। আমি পালাবো কাল।'
আপনার এ কথা শুনে আমার অজান্তেই মনের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা মনটা জানান দিল, যে পালাতে চায় অনুক্ষন তাকে কেনই বা আটকে রাখা ? আচ্ছা বলুন তো এমন করে কোনও মানবী কী কোনও মানবকে বেঁধে রাখতে পারে, না বেঁধে রাখতে পারা যায় ? কেউ তো কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। যদিও বা মানুষে মানুষে সামাজিক বন্ধন থাকে কিন্তু তা কখনই সম্পত্তির অধীকারিত্বে আসে না। আপনাকে আজ পর্যন্ত যে সম্বধনে লিখেছিলাম তা আজ থেকে খারিজ হয়ে গেল। এমন দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে আপনাকে একটা কবিতা লিখলাম। জানিনা এটা কবিতা হলো কি না। পড়ে দেখবেন। এ আমার নিজস্ব অনুভব।

''চারিদিকে অহেতুক কোলাহল
থেমে যাবে ঊদাসী কল্পনারা
    বরংবার অতীত পানে

স্পর্শগুলো মরীচীকা হয়ে মিলিয়ে যাবে অনন্তে

শুধু তখন কিংখাব মোড়া অধরা সময়টা ধরা দেবে না
আমাদের সৃজন করা সম্পর্কের আঙিনায়

এভাবেই শেষ হবে শত অযুত মুহূর্ত গুলো
    যমুনার ভাসান চরে

ভাববনা তোমায়
    আঁকবনা কোনও ছবি দিগন্তে
শুধু অগনিত মুখের দিকে তাকিয়ে খুজব
    তোমার মায়াভরা চোখ
    পাগল করা হাসির রিনিঝিনি ঝঙ্কার

আর এমনি করেই দু'চোখের জমিন বেয়ে নামবে অঝোর বর্ষন
রক্তাক্ত মনের আকাশে ঘনঘটার মহড়ায় বাজবে বেদনার মাদল''


তিন...

হঠাৎ নিস্তব্ধতাকে ভেঙেচুরে একটা আর্তনাদের নদী জেগে ওঠে। চলে উত্তালতা। দূরে কোনও সঙ্গী ছাড়া পাখির বিরহগাথা ঝরে পড়ে  ডানার ঝাপটায়। বিমুগ্ধ বিমূড় সূর্য দ্রুতপায়ে এগিয়ে যায় ২২০ নম্বর কেবিনে। সেখানে একজন মায়ার ছোয়ায় সবাইকে ভাসিয়ে রেখে চলে গেছে অনন্তে। সূর্য কিছু বোঝে না। শুধু বুঝতে পারে যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে তার পা দুটি কে যেন গেঁথে দিয়েছে ক্রুস দিয়ে। তার চোখ জোড়া এই সফেদ চাদরে ঢাকা মুখটাকে দেখতে চাইছে কিন্তু পারছে না। কারণ চোখ দুটো পাথর হয়ে গেছে। শুধু সূর্য বোঝে হৃদয়ের কোনও এক গহীন থেকে গহীনতর অন্দরে ক্ষরণ হয়। এ ক্ষরণের কোনও নাম জানা নেই তার। হৃদয়টাই সহসা জেগে ওঠে নীরবে ..................

                                                                                                                                                            ছায়াফেরী........

Kono Din Jodi Prem Fire Cau (A Melody By Tapan Choudhury)

Kono din kono din
Jodi prem fire cau
Adharer poth venge
Surjodoye fire esho
Ajo ki jenecho
Ajo ki jenecho
Baul mon amar chilo
Kokhono to sathi chilo na
Kono din vabi ni jorabe e jibon
Khoniker ai badhon
Kadabe amay bujhini
Ajo tai nishi din
Ajo tai nishi din
Valobashar betha nea
Ekraata sathi hoye roy
Kono din jodi cau
Adharer poth venge
Surjodoy e fire esho
Keno je elo melo
Kache asha hoyechilo dujonar
Khoniker e badhaon
Kadabe amay bujhini

Kono din kono din
Dukher ki ai chaua chilo
Vulere adhar buke nea
Valobeshe dure thaka

Friday, February 25, 2011

Sometimes It Not Easy ........
            To Forget And Forgive ........
                 Because Seeing The Person ........
                               Win Heart You Means ........
                                      Scratching The Scar ........
                                                       And Letting It ........
                                                                          Bleed ........
                                                                                   Once ........
                                                                                           Again ! ! ! ! ! ! ! ! 
Koto druto opossrito rodalo-vadro megh
.
.
.
.
.
.
Namche bikel
.
.
.
.
.
.
Ar ful dicche sandho hobar ahobbane
.
.
.
.
.
.

My Most Most Favourite Song by Fahmida Nabi......

Shopno Nia Thaka Eka Prohor-e
Purono Shriti-gulo
Lukia Buke Rekhechi

"Ochena Nill Akash"
Parini Se To Lukate

Dukkho Dam E Kena Vanga Mohonay
Sajano Jibon Amar
Tobu-je ValoBeshechi
Tomake Sukhe Bedona-te......

"TUMI NAI BOLE......"

Thursday, February 24, 2011

Raat-er Buke........(Another Most Favourite Song)

Raater Buke Adhar Ache
Ache Bisonno Songit
Ar Tomar Jibone Roye Geche
Amar Sarata Otit

Jano Tumi Krondone Sesh Nai
Sesh Nai Notuner Gane
Tobuo Somapti Tenecho Tumi
Amar Sajano Kanone

Jani Ai Nissho Prohore
Jege Thaki Ekaki Ami
Jeno Vorer Shopno-ti
Kerecho Durer Tumi........

Monday, June 28, 2010

অব্যক্ত বেদনা........



দিন-এ সময় গোনা
রাত-এ তারা গোনা
স্বপ্নে স্মৃতি ভোলা
কবে হলো শেষ দেখা
হাতে হাত রাখা
দু'টি চোখে রেখে চোখ
কবে যেন হলো শোনা
তোমার ঐ নিঃশ্বাসের কবিতা
খুব চেনা খুব শোনা কবিতা


আমি তো বুঝিনি ---
                            কতো বেদনা ভরে বুক- বিরহে
আমি তো বুঝিনি ---
                           কি যে কামনা থাকে দৃষ্টির- তোমায় ছুয়ে যেতে
আমি তো খুজিনি ---
                           এতো সুখ দু'টি হৃদয়ের মোহনাতে
আমি তো পারিনি ---
                           ভুলে যেতে


মরিচিকা প্রেম তোমার
যার কথা ছিল হবার
আমার ও হৃদয় মরু সিক্ততা
সজল ও মেঘের ও আদ্রতায়


মনের ও - জানালা -
কেন যে খোলা রয়ে গেল -
                           বিদায়ে
না পাবার - হাহাকার -
কেন গভীরে যায় হারিয়ে -
                           স্মৃতির জঞ্জাল সরিয়ে


অকেজো হৃদয় বোঝেনা ---
ভালোবাসা যে এক রুপকথা
মধুর এক স্বপ্ন গাথা
বোঝেনা কি যে ভুল ভালোবেসে


পড়ে থাকে শূন্য নীড়
উবে যায় স্বপ্নের আবীর
পড়ে থাকে শুধু রীক্ততা
অব্যক্ত বেদনার ব্যাকুলতা


(C) SAYAFARI........

Thursday, June 17, 2010

একাকী নিভৃতে

একাকী পথে হেটেছি সারাটা রাত
কখনও রাত জাগা পাখির ডাকে চমকে উঠেছি
অনুভব করেছি রাতের সত্যতাকে
আর বুঝেছি একাকিত্বতাই পরম পাওয়া


নিস্তব্ধ রাতে শত সহস্র তারারা ছিল আমার সাথী
সুর মিলিয়েছিল আমার সাথে
একটি নীল বেদনা দেখতে পেয়েছিলাম
তাদের মাঝে- ঠিক আমারই মতো


সমুদ্রের হিমেল হাওয়ায় অথবা উত্তাল ঢেউ-এ
অতি নিভৃতে- একাকিত্তকে আমি পাড়ি দিতে চেয়েছি
পারিনি আমি-ব্যর্থ আমি- পরাজিত আমি


কোন প্রান্তই বাকী রাখিনি পৃথিবীর
উত্তর হতে দক্ষিন মেরু-স্বর্গ হতে নরকে


একটি প্রাণকে আমি কাঁদতে দেখেছিলাম
কোন এক অন্ধকার গহব্বরে, স্বাধীনতা বঞ্চিত ছিল সে


সমস্ত পৃথিবীকে আমি স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিলাম সে রাতে
অনন্ত মৃত জ্বালাকে পূঞ্জীভূত করে -চেয়েছিলাম স্বাধীনতা
কিন্তু স্বাধীনতা, তুমি বড়ই দুর্লভ
মৃত্যুঞ্জয়ী......

Wednesday, June 09, 2010

অন্দরে ক্ষরন



চারিদিকে অহেতুক কোলাহল
থেমে যাবে ঊদাসী কল্পনারা
      বরংবার অতীত পানে


স্পর্শগুলো মরীচীকা হয়ে মিলিয়ে যাবে অনন্তে

শুধু তখন কিংখাব মোড়া অধরা সময়টা ধরা দেবে না
      আমাদের সৃজন করা সম্পর্কের আঙ্গিনায়

এভাবেই শেষ হবে শত আযুত মুহূর্ত গুলো
      যমুনার ভাসান চরে


ভাববনা তোমায়
      আঁকবনা কোনও ছবি দিগন্তে

শুধু অগনিত মুখের দিকে তাকিয়ে খুজব
      তোমার মায়া ভরা চোখ
      পাগল করা হাসির রিনিঝিনি ঝংকার


আর এমনি করেই দু'চোখের জমিন বেয়ে নামবে অঝোর বর্ষন

রক্তাক্ত মনের আকাশে ঘনঘটার মহড়ায় বাজবে বেদনার মাদল


                                                                                                          (C) SAYAFARI

Tuesday, June 08, 2010

One Of My Favourite Song Lyrics

জীবন থেকে পালিয়ে দূরে
কান্না গুলো আড়াল করে
ভুলতে পারিনি তোমাকে


ছায়া হয়ে সারাক্ষন
ঢেকে রাখো আমাকে
ভুলতে পারিনি তোমাকে


কতো পথ প্রান্তর দিয়েছি পাড়ি
কতো রাত  নির্ঘূম থেকেছি


বুকের গভীরে নীল বেদনায়
কতো রাত  একা কেঁদেছি


দুঃস্বপ্ন ভেবে ভুলতে চেয়ে
পারিনি মন থেকে মুছতে

Monday, June 07, 2010

Tasting The Raindrops

Looking in your eyes

I feel myself falling in love with you

You said I love you

And I said it too

We went to our very own special spot

For no real reason at all

We sat and talked and looked at one another

And then the rain began to fall

We could have left just as quick as we came

But no, you wanted to stay in the rain

You asked me a question I’ll never forget

Have you ever tasted the raindrops?

I looked at you funny and you gave me a sigh

The cutest look, as I wondered, why?

Why, did you ask me to taste the rain?

Well, what did have to loose or gain?

I watched you with a careful eye

And did the same as you

You were looking up at the cloudy sky

But my eyes were stuck on you like glue


I lifted my head to look at the sky

And closed my eyes really tight

Just as I thought I’d caught a raindrop

You suddenly held me tight

I opened my eyes with slight alarm

As you kissed me soft and sweet

I remember that kiss like it was yesterday
I still feel those raindrops on my cheek

I tasted the raindrops like I never had before

It was worth every second of bliss

Every time I think of that moment

I think of my raindrop kiss

We sat close together on that one special rock

And we held each other tight

Then almost as suddenly as it came

The sun came out from beneath the rain

The most beautiful colors I’ve ever seen

Came out on the western sky

The sun was setting and the moment was perfect

More than any money could buy

As the sun slowly set and the sky lit up

You began carving our names in our special rock

I told you I would never forget this moment

In my heart this memory is locked

As our names were finished and permanently engraved

We watched the sun finish its day

We slowly got up to leave this place

Which was a year ago this May

I haven’t been to that spot in a year

Where did all the time go?

I will visit this place alone this time

And I will finally have to let go

This memory will be in my heart forever

But you will not remain in my mind

I don’t know if that love, will be seen again

For that love I cannot find

I will go to this spot as we promised we would

But you will not be there this time

Why is it that you can’t keep your promise?

I know that I’m keeping mine

Never again will I taste the raindrops

The way I did with you

And when I go to this spot again

I will say goodbye to you........

Shout From A Broken Heart

Sometimes I ponder about what will come next
Where will my life turn when it seems to stall?
When is the next time I will smile again?
And how will I get up, should I fall?

Happiness fills me with a touch of sadness.
By that I mean I know it can't last.
Beauty decays, laughter subsides
When will the stones be cast?

Tragedy can be measured
By the amount of happiness taken away

Elusion is our only protection
As we fall victim to its prey

So when I've reached a fork in life's road
And the choices are many or few.
I follow the one that leads away from misfortune
That’s all I can really do

When life is good
You have to hold it in your hand
You have to close your eyes
You have to breathe it in!

Happiness may end
While tragedy begins
Today is the beginning
Is tomorrow the end????????

ধুলোজমা উপাক্ষাণ____৩

জানলেনা তুমি জানলোনা কেউ
কত স্বপ্ন একে দেয়াছি তোমার ঐ দু'চোখে
কতো আশা জাগিয়েছি তোমার মনে

শুধু দেখলে কতো বেদনা দেয়াছি তোমায়
কতো আঘাত সয়েছ আমারই ভুলে

বুঝলেনা তুমি বুঝলোনা কেউ
কতো ভালোবাসার বর্ষনে ভিজিয়েছি তোমায়
কতো মৃদু-মন্দ বাতাস জুড়িয়েছে তোমার মন-দেহ

শুধু বুঝলে কতো গ্রীস্ম ছুয়েছে তোমায়
আর কতো অগ্নুৎপাত দেখেছ তুমি......

ধুলোজমা উপাক্ষাণ____২

দুরে-দুরে কাছে-কাছে এখানে ওখানে
কি ডাকো আমায়
উদাশী হাওয়ায় আজ যে সবই
ফিরে ফিরে এলো

সুর হয়ে মন দেয়াছি যাকে
আজ সে ডাকে সাড়া না দিয়ে
কি করে পারি
চেয়েছি তোমাকে --পেয়েছি তোমায়
এসেছি তোমার মনেরই ছায়ায়
প্রতিটি প্রহর আমারই রবে এই কামনায়

Sunday, June 06, 2010

NO LONGER PERSONAL

Angry, frustrated, agitated-it only took a moment to give up on life. This wasn’t like last time when this writer had tried to take the ultimate step of doing away with life.

This happened at 10 o clock at night in Dhanmondi on Saturday, 24 November. Something that I witnessed just shocked me beyond bounds. We were moving houses (for which reason I was fortunately carrying an Arabic English version of the Quran). That’s what I ran away with, blinded future.

Now I am not an escapist. I was just too angry with myself for letting it happen. Frustrated- I got nostalgic about how it all started. Who’s to be blamed and how to reach a conclusion? It was one of those moment when two and two make four. Thoughts about my mother who had borne my sister and me for so long, about my good for nothing relatives-puppeteers to this patriarchal society (who simply abhorred my mother’s great ‘crime’ of divorcing) and about my friends most of whom had lately fallen into trouble became of me. At least I shouldn’t have been so naïve and should have more careful especially when I knew my family’s rivalry with some very influential network.

As I ran with tears rolling down my cheeks, one thing that was certain was that there was nowhere to go so late at night. I looked for some place as I sat to just think over – a mosque! But it was closed. The nest hit was a madrasha- but even there no response. I was exasperated. Wasn’t there any place in this specious world for a girl to just sit and cry? The Kidney Hospital under neon lights pulled me out of me thoughts. I stammered to its occupants some silly tale about “my uncle whom I hadn’t visit for 8 years.” Judging my situation, they asked me to sit in the waiting room which was practically empty. Nobody asked any awkward question and I gave a round in the ward rooms twice just for the sake of “looking for somebody”.

Around 11.45 pm they informed me that the place was about to close down. I came out to find myself near Dhanmondi Lake. To be roaming around at that time didn’t seem like the right thing for a 20-year-old woman. Not that I was scared. Even if I was a kung fu master, there is this social stigma which wouldn’t have been there if I were male. But there wasn’t time to philosophies about gender disparity, as I had to think quickly. I took a rickshaw, and once on board did some brain-storming. I heeded for a newspaper office I was familiar with thinking that it just might stay open all night. The guy in reception recognized me.

I didn’t want to bother him with details like the fact that some people were after me, so it was unsafe for me to stay at home. So my plan was to stay at an office to write an exclusive report on that gang. Much to my disappointment he informed me that the place was about to close down at 3 but he asked me to give a try at some television channel office.
I reached one of the offices and went upstairs. The person in charge of the crime beat was sympathetic and bluntly asked him whether I could stay and if the regulations didn’t permit that, I would be happy to leave. He gazed up, thought for a few seconds and nodded a “yes” which actually left me quite surprised as that wasn’t what I had expected. Again I started with the story, rather softly, but he didn’t seem to be curious or anything. He just put a shawl around me with paternal affection and asked me to relax-relax?

The following day was a hunt for the answers. Just as everyday the sun rose, people commuted all over the road, regardless. To the whole world nothing had changed, but there was a storm in my mind’s world. Things started happening in rush. Like I had opened a new world to explore where I knew no one. The television journalist was pretty helpful. But I didn’t want to be helped by anybody so when I departed I did it unnoticed.

There was this one thing that kept bugging me all throughout the day. How to inform my family of my well-being. Asking my TV journalist friend to call them when I would meet him next (and anticipated last time) seemed like a good idea. Here I must relate an incident. One particular incident is worth mentioning. There was this old man in the bus who approached me with a benign smile and started to ask me about the Quran in my hands. He started giving lectures of how the youth this day should be that I fully appreciated. He seemed like a “guardian type” in my isolated world. But at length, he changed colors, like a shrewd chameleon. “Where do you live? How do I contact you?” “You’re a stranger” was my curt reply. But he superficially introduced himself, handed a card to me and added “You’re a girl-very vulnerable. You should be careful” I plainly told him it didn’t matter to me much if I was a boy or a girl. “But, you see, it matters to me that you’re of the opposite sex.” Then he related an unlikely tale of how his friend had married his grandsons’ friend. And whether I had ever visited Cox Bazar. I distanced myself at that point. That’s it! The last time I take a senior citizen in blind respect. Again doesn’t necessarily cleanse a dirty mind!


Media, lawyer, human rights’ activists, NGO were all in my list and I had a pretty long day at my disposal. As night fell, there was again the challenge of lodging. My last drop was another television channel where I was promised “Eternal” help if I would just go back home. Adamant as ever, it seemed to me that they were just wasting my time. I was grateful to them for their kindness, but it was getting late. “I’ll let you know what happens” and with that I moved on only to find myself in a dark, deserted road of Gulshan. All the shops were closing. As I had already used up all my money, I didn’t carry a bag, no cell and therefore no phone numbers, so it was time for me to panic! I could borrow but it had to be from somebody who knew my story, who was powerful enough to mach my rivals (so not my friends). At one o clock at night this was a tricky business.


Finally I decided to take a cab to go to the airport and on the way I tried some offices in the media but couldn’t get the people. As I approach the office of a photographer whom I had met through work, I thought that it was stupid. What would he be doing there at that time? As I knocked he was the one to open the door. He fired a dozen of worried questions at me and I implored him not to tell the folks at home. He made me get the cab driver’s number and give it to him. Later when I was on my way, he called on the cabby’s cell. “Is the driver shifty? Are you sure you will make it? Are you ok?” that made me realize that I was back again to the social world. A world where people care. I smiled to myself and looked out into the empty road in the dark sky, thinking about my mother and my sister whose glimpse I had caught on my way to Gulshan. They were obviously looking for me, but they looked clam.

It was a good thing that I had taken a cab so I was dropped off at the departure lounge of the airport. Once there a guard came for a little chitchat and I got impatient at his irrelevant questions. (What was my name, address, contact number!)? Shaken and definitely with a resolution to get me for scolding him, he went and consulted with his fellow crewman. Ok that meant trouble, as I had contradicting information to the guards here- one I had said I had come here for departure and the for picking up my two khalas were on their way here to join me. I realized that I was pretty conspicuous as I was a young girl all alone.

Walking along I found a seat beside two hijab-clad women. They were going to stay here till morning. I told them that I had come from U.S a week back and hadn’t known anybody in Dhaka, so I had come alone that night to pick my sister up from the airport. Moreover her flight was at dawn, I said, and I didn’t want to wait downstairs as it was risky. I felt bad about lying to such nice people but I had no choice. One of them was very exuberant and kept talking to me, which I thoroughly enjoyed. The other lady however eyed me with suspicion and did not really speak to me until dawn approached by which time her skepticism had dissipitated. She smiled warmly and asked while I was about to leave. “We have spent such a long time tighter, but I didn’t even know your name.” Well that was the only truth I could convey to them-my name, so I did.

After what seemed like eternity, the Azaan started and bidding my companions goodbye I made my way out. Immediately I regretted the decision as there was not a single soul out in the whole main road and it was still dark. A CNG drove past so I got on board, but it started to move like a turtle and stopped frequently (for extra payment). So I left that one, and with serendipity another one passing that instant. But the driver did exactly the same thing and this time I gave him a piece of my mind. Luckily the shops were opening and by then the street getting filled so he dared not get me back. In a total I had to pay TK80, 40 each for a not such a great distance.

When I met my benefactor at the TV channel, I was shocked to hear that somebody had kept calling him, from the phone shop I had called him from – and informed him where I was about to go. That guy even told him that I was going to Gulshan-2, but that’s something only I knew. I was being tracked all along!

So I was still under the purview of my enemies. None of this made sense-51 hours of not eating, not sleeping, and a whole day still lay ahead. I began musing and planning as I sat under the bright morning rays near the Shahid Minar. Actually this was the first time I had ever been there. It was also the first time I had spent so much time away from my family. Usually I have a bad case of not remembering directions as I always rely on my mom to pick me up and drop me to wherever I had to go, so I couldn’t believe how I had managed all these days.

This particular day my photographer friend told me over the phone that I would be hunted too as a missing report had been filed at a police station earlier that day. So I asked him to bring me a different colored jacket/shirt and a cap in the hope of disguising myself. He asked me to visit his office where many of his colleagues who knew about the whole thing, started to convince me to go home and abandon my reckless plan. I got impatient and asked one of them why it mattered to anybody when so many people are dying out there everyday-we frequently come across such grotesque news across the paper. She defiantly replied that it was because by that time I had become someone she knew and cared about. Coming from somebody I had known only for about a month, I was touched, yet stubborn. Later as I spoke to another colleague, somebody I had met only the first time in my life he somehow was able to make me aware the importance of going back. As impulsively I had taken the decision to run away, I opted for coming back.

Then they called home and outside as I was waiting for ma mother and sister, I felt the card that the old man had given me the other day in my pocket, gave it a last look and tossed it away. Then I made my way towards my family. And here I was once again –as clueless and frustrated as ever! As for all the people who helped me including the solicitous, well-intentioned team at the newspaper magazine, for good reasons I would not approach them anymore concerning this.


The End........

ধূলোজমা উপাক্ষাণ____১

কতো দিন জানালাটা খুলে রৌদ্র স্পর্শ করা হয় না
বৃষ্টি ফোটাকে করা হয় না আলিঙ্গন
দেখা হয় না বৃষ্টি শেষে সাত রঙ এ রঙ্গিন রংধনুটাকে

মনের কোনে ভাসেনা আর কোন রঙ্গিন ভাবনা
সাদাকালো ভাবনা গুলোও হারিয়েছে ভাষা
আর স্বপ্ন- সে তো কবেই দুঃস্বপ্ন-এর রুপ লাভ করেছে

চার দেয়ালের শুন্যতার মাঝে -পড়ে আছে ধুলোজমা আয়না
কল্পনার ক্যানভাসে শুধুই একটি ছবি---তুমি
একে যাই তোমায়- সারাক্ষন- সারাবেলা
তুমি পাশে নেই- নেই ভালোলাগা-
আছে শুধুই ধুসরতা........
মনে না করেও যা মনে পড়ে যায়
ভুল ভেবেও যাকে ভুলে থাকা দায়........